বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে কোন এক ছাত্র প্রবেশের সময় দারোয়ান আইডি কার্ড দেখতে চাইলে ছাত্রের উক্তি “ তিন বছর হয়ে গেল আর মাত্র এক বছর আছে, আইডি কার্ড কই আছে না আছে কে জানে”
ছাত্রের উক্তি এবং দম্ভে দারোয়ান তাকে অতিরিক্ত কিছু জিজ্ঞাসা করলেন না।
*কোন প্রতিষ্ঠানে দারোয়ানের সাথে যারা বাজে ব্যবহার করেন তাদের শুধু মার্ক করে রাখা হয় এটা সবার জানা দরকার।
বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা- যাওয়ার পথে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করার সময় আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে রাখা প্রতিটি ছাত্র- কর্মচারী- কর্মকর্তার নৈতিকতা- দায়ীত্বশীলতা প্রকাশ করে। একজন ছাত্র যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইডি কার্ড পরিধান করে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয় তার দায় সবার কিন্তু এর মন্দ ফল ভোগ করতে হবে ছাত্রের একার। তাই ছাত্রকেই সকল নিয়ম- কানুন (নীতি) জেনে তা মেনে চলার অনুশীলন করতে হবে।
এই নিয়ম নীতি মেনে চলার ফলাফল সে পাবে যখন যে কোন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করবে বা নিজের কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে।
আইডি কার্ড শুধুই আইডি কার্ড না, এটা একজন ছাত্রের তাৎক্ষণিক পরিচয়। প্রতিষ্ঠানের বাহিরে একজন ছাত্র আইডি কার্ড পরিধান করে থাকলে খুব সহজেই তার পরিচয় সনাক্ত করা সম্ভব। যে কোন বিরুপ পরিবেশে কোন ছাত্রের তাৎক্ষণিক পরিচয় তার আইডি কার্ড।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে কর্পোরেট কোন প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর প্রধান শর্ত থাকে নো আইডি নো এট্রি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আইডি কার্ড পরিধানের উপর জোর দিয়ে গলায় ঝুলাতে ব্যর্থ হলেও কোন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ব্যর্থ হয় না। সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয়ে লামছাম বুঝিয়ে আইডি কার্ড ব্যবহার না করলে এই বদ অভ্যাস থেকে যাবে চাকুরী ক্ষেত্রেও এবং যার ফলাফল হবে ইনক্রিমেন্ট স্থগিত, শোকজ, পদন্নোতি বন্ধ ইত্যাদি ইত্যাদি।
আইডি কার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিধান করতে না চাইলেও আপনাকে কোন না কোন আইডি কার্ড পরিধান করতেই হবে হোক আজ বা কাল। আজ থেকে আইডি কার্ড পরিধানের অভ্যাস করা থাকলে ভবিষতে এই ছোট একটি বিষয়ে অতিরিক্ত মাথা ঘামাতে হবে না। আর আইডি কার্ড পরিধানের অভ্যাস না থাকলে এবং কোন কারনে ভালো কোন জব না পেলে আপনাকে আইডি কার্ড সব সময়ের জন্য পরিধান করে থাকতে হবে যা একসময় আপনার জন্য বিরক্তিকর ছিল এবং আপনি দম্ভের সাথে বলতে, “নাই আইডি, কিসের আইডি কার্ড।।
