প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবার সময় বা ভর্তি হবার পর বিভিন্ন কারণে ওয়েভার বৃদ্ধির জন্য আবেদন করার প্রয়োজন হতে পারে। ওয়েভার বৃদ্ধির আবেদন যথাযথ প্রকৃয়ায় না হলে ওয়েভার প্রাপ্তিতে বিলম্ব বা আবেদন বাতিল হবার সম্ভাবনা থাকে। আবেদন অনুমোদন হবার জন্য যেসকল প্রকৃয়া অনুসরন করবেন তা নিয়েই আজকের আলোচনা।
আবেদন নিজে লিখবেন, হাতে লিখতে পারেন বা টাইপ করতে পারেন। হাতে লিখুন আর টাইপ করুন আবেদন সাবমিট করার আগে অবশ্যই সকল বানান দেখে সঠিক করে দিবেন এবং সরল ভাষায় লিখবেন। আবেদনপত্র ইংরেজি বা বাংলা যেকোন একটিতে লিখবেন তবে খেয়াল রাখবেন ইংরেজি বাংলা এবং সাধু-চলিত ভাষার মিশ্রন এড়িয়ে চলবেন। কোন প্রকার বানান ভুল থাকলে আবেদনের কথা পড়তে বা বুঝতে সবার কষ্ট হয়। একটি আবেদন কয়েকটি দপ্তর এবং সকল দপ্তরের হেড পড়েন তাই বানান ভুল হলে সবার কাছ থেকে সুমতামত পেতে অসুবিধা হতে পারে।
আবেদন লেখার পূর্বে বিভাগীয় প্রধান বা কো-অর্ডিনেটর বা কোন শিক্ষকের সরাসরি সহায়তা নিবেন। আবেদনপত্র ভাইস-চ্যান্সেলর/ রেজিস্ট্রার বরাবর করতে চাইলে অবশ্যই বিভাগীয় প্রধানকে মাধ্যম হিসেবে দিবেন। যে কারণে ওয়েভার বৃদ্ধির জন্য আবেদন লিখবে তা সুস্পষ্ট হতে হবে এবং তার সাপেক্ষে নথি/ ডকুমেন্ট সংযুক্ত করতে হবে।
ক. আর্থিক কোন সমস্যা থাকলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের/ কাউন্সিলর অফিস থেকে পারিবারিক আর্থিক অসচ্ছলতার সার্টিফিকেট সংযুক্ত করবেন। আর্থিক অসচ্ছলতার সার্টিফিকেট ইউনিয়ন পরিষদ বা কাউন্সিলর অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
গ. অভিভাবক এর আর্থিক ক্ষতির কারণে ওয়েবার বৃদ্ধির জন্য আবেদন করতে চাইলে আবেদনের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায় এর ক্ষতি হয়েছে এমন মর্মে কোন খবর/ ইউনিয়ন বা কাউন্সিলর অফিস থেকে সনদ বা চাকুরী ক্ষেত্রে রিলিজ অর্ডার সংযুক্ত করতে হবে।
ঘ. অভিভাবকের মৃত্যুজনিত কারণে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ওয়েভার বৃদ্ধির আবেদন করতে চাইলে মৃত্যু সনদ ও পারিবারিক আর্থিক অসচ্ছলতার সার্টিফিকেট সংযুক্ত করতে হবে।
ঙ. পরিবারের কারো চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধি: পরিবারের কেউ অসুস্থ থাকলে তার চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধিজনীত কারণে কোন শিক্ষার্থীর ওয়েভার বৃদ্ধির প্রয়োজন হলে অবশ্যই চিকিৎসাপত্র/ প্রেসক্রিপশন/ রিলিজ সার্টিফিকেট এবং পারিবারিক আর্থিক অসচ্ছলতার সার্টিফিকেট সংযুক্ত করতে হবে।
সর্বপরি শিক্ষার্থির আবেদনপত্রে বিভাগীয় প্রধানের সুপারিশ থাকতেই হবে। বিভাগীয় প্রধানের সুপারিশ ব্যতিত সকল আবেদন নামঞ্জুর হয়ে থাকে।
আবেদনপত্রে আপনার এলাকার বা ইউনিভার্সিটির কোন রাজনৈতিক নেতার সুপারিশ সংযুক্ত করা, ফোন দিয়ে সুপারিশ ইত্যাদি থেকে বিরত থাকুন। আবেদনে আপনি যা লিখবেন এবং আবেদন আপনি কতটা গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন তার উপর আপনার আবেদন গৃহিত হবে কি/না তা নির্ভর করে। তাই কোন রাজনৈতিক সুপারিশ থাকলে আপনার আবেদনে একটি নেতিবাচক প্রভাব পরে। তবে আপনার এলাকার বা ইউনিভার্সিটির কোন এম.পি বা মন্ত্রী যদি ক্লিন ইমেজের হয়ে থাকে এবং তিনি যদি সরাসরি আপনার আবেদন ইউনিভার্সিটির কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে অনুরোধ করেন তাহলে তা ভিন্ন বিষয়।
প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির ক্ষেত্রে যেভাবে ওয়েভার বৃদ্ধি করা যেতে পারে তার কিছু পদ্ধতি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকাবস্থায় জিডি লেখার অনুশীলন থাকাটা একটি দক্ষতা, জিডি লেখার ধারনা এখানে দেখুন। প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবার সময় বা ভর্তি হবার পর বিভিন্ন কারণে ওয়েভার বৃদ্ধির জন্য আবেদন করার প্রয়োজন হতে পারে। ওয়েভার বৃদ্ধির আবেদন যথাযথ প্রকৃয়ায় না হলে ওয়েভার প্রাপ্তিতে বিলম্ব বা আবেদন বাতিল হবার সম্ভাবনা থাকে। আবেদন অনুমোদন হবার জন্য যেসকল প্রকৃয়া অনুসরন করবেন তা নিয়েই আজকের আলোচনা।
আবেদন নিজে লিখবেন, হাতে লিখতে পারেন বা টাইপ করতে পারেন। হাতে লিখুন আর টাইপ করুন আবেদন সাবমিট করার আগে অবশ্যই সকল বানান দেখে সঠিক করে দিবেন এবং সরল ভাষায় লিখবেন। আবেদনপত্র ইংরেজি বা বাংলা যেকোন একটিতে লিখবেন তবে খেয়াল রাখবেন ইংরেজি বাংলা এবং সাধু-চলিত ভাষার মিশ্রন এড়িয়ে চলবেন। কোন প্রকার বানান ভুল থাকলে আবেদনের কথা পড়তে বা বুঝতে সবার কষ্ট হয়। একটি আবেদন কয়েকটি দপ্তর এবং সকল দপ্তরের হেড পড়েন তাই বানান ভুল হলে সবার কাছ থেকে সুমতামত পেতে অসুবিধা হতে পারে।
আবেদন লেখার পূর্বে বিভাগীয় প্রধান বা কো-অর্ডিনেটর বা কোন শিক্ষকের সরাসরি সহায়তা নিবেন। আবেদনপত্র ভাইস-চ্যান্সেলর/ রেজিস্ট্রার বরাবর করতে চাইলে অবশ্যই বিভাগীয় প্রধানকে মাধ্যম হিসেবে দিবেন। যে কারণে ওয়েভার বৃদ্ধির জন্য আবেদন লিখবে তা সুস্পষ্ট হতে হবে এবং তার সাপেক্ষে নথি/ ডকুমেন্ট সংযুক্ত করতে হবে।
ক. আর্থিক কোন সমস্যা থাকলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের/ কাউন্সিলর অফিস থেকে পারিবারিক আর্থিক অসচ্ছলতার সার্টিফিকেট সংযুক্ত করবেন। আর্থিক অসচ্ছলতার সার্টিফিকেট ইউনিয়ন পরিষদ বা কাউন্সিলর অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
গ. অভিভাবক এর আর্থিক ক্ষতির কারণে ওয়েবার বৃদ্ধির জন্য আবেদন করতে চাইলে আবেদনের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায় এর ক্ষতি হয়েছে এমন মর্মে কোন খবর/ ইউনিয়ন বা কাউন্সিলর অফিস থেকে সনদ বা চাকুরী ক্ষেত্রে রিলিজ অর্ডার সংযুক্ত করতে হবে।
ঘ. অভিভাবকের মৃত্যুজনিত কারণে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ওয়েভার বৃদ্ধির আবেদন করতে চাইলে মৃত্যু সনদ ও পারিবারিক আর্থিক অসচ্ছলতার সার্টিফিকেট সংযুক্ত করতে হবে।
ঙ. পরিবারের কারো চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধি: পরিবারের কেউ অসুস্থ থাকলে তার চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধিজনীত কারণে কোন শিক্ষার্থীর ওয়েভার বৃদ্ধির প্রয়োজন হলে অবশ্যই চিকিৎসাপত্র/ প্রেসক্রিপশন/ রিলিজ সার্টিফিকেট এবং পারিবারিক আর্থিক অসচ্ছলতার সার্টিফিকেট সংযুক্ত করতে হবে।
সর্বপরি শিক্ষার্থির আবেদনপত্রে বিভাগীয় প্রধানের সুপারিশ থাকতেই হবে। বিভাগীয় প্রধানের সুপারিশ ব্যতিত সকল আবেদন নামঞ্জুর হয়ে থাকে।
আবেদনপত্রে আপনার এলাকার বা ইউনিভার্সিটির কোন রাজনৈতিক নেতার সুপারিশ সংযুক্ত করা, ফোন দিয়ে সুপারিশ ইত্যাদি থেকে বিরত থাকুন। আবেদনে আপনি যা লিখবেন এবং আবেদন আপনি কতটা গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন তার উপর আপনার আবেদন গৃহিত হবে কি/না তা নির্ভর করে। তাই কোন রাজনৈতিক সুপারিশ থাকলে আপনার আবেদনে একটি নেতিবাচক প্রভাব পরে। তবে আপনার এলাকার বা ইউনিভার্সিটির কোন এম.পি বা মন্ত্রী যদি ক্লিন ইমেজের হয়ে থাকে এবং তিনি যদি সরাসরি আপনার আবেদন ইউনিভার্সিটির কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে অনুরোধ করেন তাহলে তা ভিন্ন বিষয়।
প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির ক্ষেত্রে যেভাবে ওয়েভার বৃদ্ধি করা যেতে পারে তার কিছু পদ্ধতি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকাবস্থায় জিডি লেখার অনুশীলন থাকাটা একটি দক্ষতা, জিডি লেখার ধারনা এখানে দেখুন।
