Site icon Education

বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ভুলটি কোন অঘটনে অভিযুক্ত এবং ভুক্তভোগী ছাত্র হিসেবে কখনই করবেন না

বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ভুল হয়ে যাবার পর যে ভুলগুলো কখনই করতে যাবেন না তার কিছু এখানে আলোচনা করছি, আশাকরি অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগী এবং ভবিষ্যৎ অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীর উপকারে আসবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ভুল ছাত্র- ছাত্রীদের দ্বারা হয়ে থাকে। এসব ভুল ইচ্ছাকৃত এবং অনিচ্ছাকৃত হতে পারে। বেশিরভাগ ভুল ছাত্র- ছাত্রীরা অনিচ্ছাকৃতভাবে করে থাকে এবং এসব ভুলের সংশোধন প্রকৃয়া ভিন্ন ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিন্ন ভিন্ন নিয়মে হয়ে থাকে। ভুল হোক সেটা অনিচ্ছাকৃত, হোক সেটা ইচ্ছাকৃত সকলপ্রকার ভুল সংশোধন প্রকৃয়া ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে এবং তা ব্যবহার করে।

যখন কোন ভুল ছাত্র- ছাত্রীর মাধ্যমে হয়ে থাকে তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন তা আমলে নিয়ে প্রক্টরের মাধ্যমে সিদ্ধান্তে আসে। ছাত্র- ছাত্রীর ভুলের কোন সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একক কোন ব্যক্তির মাধ্যমে হয় না। কোন একটি কমিটি এবং কমিটির প্রতিটি সদস্যদের সিদ্ধান্তের ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্ত রায় হয়। এসব প্রকৃয়া বিশ্ববিদ্যালয় তার প্রতিষ্ঠার সময় করে থাকে এবং সে অনুযায়ী কাজ হয়ে থাকে।

এমতাবস্থায় অভিযুক্ত ছাত্র- ছাত্রীর করনীয় কি?

যদি কোনভাবে কোন ছাত্র- ছাত্রী কোন অঘটন ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে করে থাকে তবে তার জন্য ক্ষমা চাওয়া হল প্রথম কর্তব্য। এরপর প্রক্টর অফিস থেকে কোন জবাব চাইলে সেখানে কোন অবান্তর বক্তব্য উল্লেখ না করে ক্ষমা চাওয়া এবং সঠিক তথ্যটি প্রদান করা উচিত। এটিই একমাত্র এবং একটি মাত্র পথ প্রক্টর এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির নিকট ক্ষমা এবং সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যম। তাই প্রক্টর অফিসে জবাব লিখিত আকারে দেবার সময় সকল প্রকার বানান, কথার ক্ষেত্রে নম্রতা, ইত্যাদি খুব ভালোভাবে যাচাই করে জমা দিতে হবে। এবং এটা সরাসরি প্রক্টর অফিসে নম্রতার সহিত জমা দিতে হবে।

যা করা যাবে না:
ক. অভিযুক্ত ছাত্র- ছাত্রী ভুল করার পর যখন তা প্রক্টর অফিসে চলে আসে তখন অভিযুক্ত ছাত্র- ছাত্রী ভয়ে দিশেহারা হয়ে যায়, ছাত্র- ছাত্রীদের তখন সঠিক সিদ্ধানের সময় তাই দিশেহারা বা অস্থির হওয়া যাবে না কিছুতেই। সৃষ্টিকর্তার স্বরণ করতে হবে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।

খ. এমন অবস্থায় বিভিন্ন শুভাকাঙ্ক্ষী! অনেক ভুল তথ্য দিয়ে আপনার বিপদ আরোও বৃদ্ধি করে দিতে পারে। তারা বলতে পারে অমক লোকের কাছে যাও, অমক নেতার কাছে যাও ইত্যাদি ইত্যাদি। এসব করা মানে আপনি কমিটির সামনে আপনার ক্ষমতা দেখাচ্ছেন, যা বেয়াদবির সমান। যে কোন ভুল ক্ষমার যোগ্য এবং ভুল করে বেয়াদবি করে ফেললেও তা ক্ষমার যোগ্য কিন্তু কোন ভুলের পর ইচ্ছাকৃত বেয়াদবি করা ক্ষমার চূড়ান্ত অযোগ্য। তো যখন আপনি বিভিন্ন শুভাকাঙ্ক্ষীর! কথামত নেতা বা কোন লোকের মাধ্যমে কমিটির নিকট সুপারিশ নিবেন তখই আপনার বিরুদ্ধে রায় তৈরী হতে থাকবে যা একজন সাধারণ ছাত্রের জন্য বিভিষিকা।

 সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয় বা কোন প্রতিষ্ঠানে যে কোন ভুল করে ফেললে বহিরাগত কোন সাহায্য চাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনের সদয় দৃষ্টি চাইবেন এবং সৃষ্টিকর্তার নিকট সাহায্য ও ক্ষমা চাইবেন।

ধন্যবাদ।

Exit mobile version